হারিয়ে যাওয়ার নাটক ৩৭ বছর বয়সী দখল দারের




তার নাম মোঃ এমরান,বয়স ৩৭ বছর পিতাঃ আব্দুর রহিম, গ্রামঃ পোনশাহী বশির উদ্দিন মজুমদার বাড়ি কচুয়া- চাঁদপুর। কয়েক দিন যাবৎ সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরছে একটি পোস্ট হারানো বিজ্ঞপ্তি শিরোনামে বলা হচ্ছে এমরান নামের এই ৩৭ বছর বয়সী লোকটি হারানো গিয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় পুরো বেপারটাই আসলে হচ্ছে একটা ড্রামা , এমরান নামের এই লোকটি দীর্গদিন যাবৎ তাদেরই পাশের বাড়ির সম্পর্কে চাচা চানমিয়া নামের এক ব্যক্তির জায়গা জোরপূর্বক দখল করে খাচ্ছেন। চাঁনমিয়া খুবই সহজ সরল মানুষ দীর্গদিন প্রবাসে থেকে অনেক কষ্টের টাকা দিয়ে আজ থেকে ১৩ বছর আগে এই জায়গা কিনেছেন তিনি, তার ২ ছেলে বর্তমানে প্রবাসী তিনি এবং তার ওয়াইফ এবং ২ ছেলের বৌ নিয়ে এখন তিনি বাড়িতেই আছেন , তার ছেলেরা দেশে না থাকায় এই ২ বৃদ্ধাদের জায়গা দখল করে খাচ্ছে এমরান নামের এই বেক্তি এবং তার বাবা আব্দুর রহিম তার ২ ভাই ইমান ,মানিক। এই নিয়ে চাঁদপুর জর্জ কোর্টে মামলা করে চাঁনমিয়া এবং মামলার রায় আসে চাঁনমিয়ার পক্ষেই তারপরেও চাঁনমিয়াদের তাদের জমি না দিয়ে উল্টো তাদেরই নামে জায়গার দলিল বাতিল চেয়ে কাউন্টার মামলা করে এমরান এমন কি সেই জায়গায় নতুন ধান গাছ লাগিয়ে দেন রাতের আঁধারে । চাঁনমিয়া এবং তার স্ত্রী জমির কাছে গেলেই অহেতুক গালাগাল করে তাই নিতি কিছু বুজতে না পেরে গ্রামের চেয়ারম্যন এবং কিছু গণ্যমান্য দের ডাকেন কিন্তু তারা এসেও আদালতের রায়কে সায় না দিয়ে জমির দায়িত্ব দিয়ে দেন গ্রামের মেম্বার লিটনকে এবং এমরানকে বলেন আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির আগে যেন চাঁদপুর জর্জ কোর্ট থেকে চাঁনমিয়ার পক্ষের রায় স্থগিতের কাগজ নিয়ে আসেন। এই বলে সেইদিন গ্রাম্য বিচার শেষ হলেও গত ১৯ জানুয়ারী থেকে এমরান লাপাত্তা এবং কি তার পরিবারের মানুষেরা এটাই বুঝাতে চাচ্ছে যে চাঁদপুর যাবার পথে সে কোথাও হারিয়ে গেছে , কিন্তু তাদেরই চাচাতো ভাই বা বাড়ির মানুষের মুখ থেকে শুনা যাচ্ছে অন্য কথা কেউ বলতে রাজি না যে তিনি হারিয়েছেন সবারই এক কথা তারা মানুষকে ধোকা দিতে যেই কোনো পথে চলতে পারে এটা তাদের নিজেরই করা একটা নাটক। গ্রামে গ্রামে এমন হাজারো এমরান আছে যারা শিক্ষিত না হয়েও নিজের শয়তানি বুদ্ধি দিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষদের হেনস্থা করতে এক পাও পিছু হাটে না।

0 মন্তব্যসমূহ