৫ দিন পর স্কুলছাত্র মিনাজের লাশ ফেরত দিল ভারত

৫ দিন পর স্কুলছাত্র মিনাজের লাশ ফেরত দিল ভারত

দিনাজপুর সদর উপজেলার দাইনুর সীমান্তে গুলিতে নিহত স্কুলছাত্র মিনহাজুল ইসলাম মিনাজের লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। মৃত্যুর পাঁচ দিন পর সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সীমান্তের ৩১৪/৭ এস পিলারের কাছে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ ফেরত দেওয়া হয়।

পতাকা বৈঠকে দাইনুর বিপিওর নায়েক সুবেদার আক্তার হোসেন, কম্পানি কমান্ডার আনিস হোসেন, কোতোয়ালি থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম, ৯ নম্বর আস্করপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুবক্কর সিদ্দিক, মেম্বার মাজেদুর রহমান, নিহতের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

লাশ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি ৯ নম্বর আস্করপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুবক্কর সিদ্দিক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মাজেদুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।তবে নিখোঁজদের ব্যাপারে কোনো কিছুই জানাতে পারেননি কেউ।এ ব্যাপারে বিজিবি দাইনুর সীমান্ত ফাঁড়ির কমান্ডার আক্তার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মাওলা বলেন, ‘বিএসএফ ও বিজিবির উপস্থিতিতে নিহতের মরদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যেহেতু ওই দেশে ময়নাতদন্ত হয়েছে, তাই এই দেশে আর ময়নাতদন্ত হবে না। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ’

এর আগে গত বুধবার রাতে পাঁচজন শুঁটকি ব্যবাসায়ী দাইনুর বিওপি ৩১৫ নম্বর মেইন পিলারের সীমান্তের কাছে গেলে গুলি চালায় বিএসএফ সদস্যরা। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় খানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র মিনহাজুল ইসলাম মিনাজ (১৬)। নিখোঁজ হয় একই ইউনিয়নের খানপুর এলাকার লতিফুরের ছেলে এমদাদুল (২৮) ও সালমানের ছেলে সাগর (২০)।

নিহত মিনাজের মরদেহ ভারতের ভেতরে দক্ষিণ দিনাজপুর তেলিয়াপাড়া এলাকায় ধানক্ষেতে পড়ে থাকে। বৃহস্পতিবার বিকেলে লাশ গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর হয়।

মেম্বার মাজেদুর রহমান জানান, সকালে লাশ ফেরত দেওয়া হবে সংবাদ পেয়ে কবর খনন করা হয়। বিকেলে লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পর সন্ধ্যার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

0 মন্তব্যসমূহ