ন্যাটো ধোঁকা দিয়েছে ইউক্রেনকে

ন্যাটো ধোঁকা দিয়েছে ইউক্রেনকে


এমন হয়েছে যে আপনার যখন একটি ভালো চাকরি থাকবে সেই সময় এর চাইতেও ভালো চাকরির অফার আপনি প্রতিদিন পাবেন কিন্তু যখনি আপনার মবর্তমান চাকরি ছেড়ে দিয়ে অন্য চাকরিতে জয়েন করতে যাবেন দেখবেন চাকরি আর নেই। 

ঠিক এমন টাই হয়েছে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্দ লাগার আগ মহর্তেও ন্যাটো থেকে ওয়েলকাম পেয়েছে ইউক্রেন যখনি যুদ্দ শুরু হয়ে গেলো সবাই নিজেদের দেশের কথা চিন্তা করে ওই ইস্যু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছেন আর এখন সেটা বুঝতে পেরেছে জেলেনস্কি কিন্তু অনেক দেরি হয়ে গেলো বুঝতে বুঝতে ঝড়ে গেলো কতগুলো তাজা নিষ্পাপ প্রাণ। 

তাই বোধয় জেলেনস্কি এখন নিজের সুর পাল্টাতে শুরু করেছেন কারণ তার হয়তো বুঝা হয়েগেছে যে নিজের শক্তি না থাকলে অন্যের শক্তি দিয়ে বেশিদিন টিকেথাকা যায় না , রাশিয়া কিয়েভ দখলে নিলেই সব দিক হারাতে হবে জেলেনস্কির আর এমন করে আর বেশিদিন চলতে পারবেনা ইউক্রেইন ২ দিন বেশি লাগলেও রাশিয়া দখলে নিয়ে নিবে। 

জেলেনস্কি যা বলেছেন এখন 

এবিসি টেলিভিশনকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি সুর নরম করে কথা বলেছেন। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি আর ন্যাটোর সদস্য হতে ইচ্ছুক নন। তিনি বুঝে গেছেন, ইউক্রেনকে গ্রহণ করতে ন্যাটো প্রস্তুত নয়। 

তিনি বুঝেছেন যে, ন্যাটো রাশিয়াকে চটাবে না। তারা এই বিতর্কিত বিষয়ের মধ্যে ঢুকতে ভয় পাচ্ছে। 
যুদ্ধ থামাবার জন্য রাশিয়া যে দাবিগুলো করেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো, ইউক্রেন ন্যাটো এবং ইইউ-র সদস্য হতে পারবে না। তাছাড়া রাশিয়া দাবি করেছে, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক-এর স্বাধীনতার স্বীকৃতি দিতে হবে। জেলেনস্কি জানিয়ে দিয়েছেন, ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্য হবে না। দ্বিতীয় দাবি নিয়েও তিনি নরম হয়েছেন। 

সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেছেন, তিনি দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক নিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি আছেন। 

তার দাবি, ইউক্রেনকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে হবে। জেলেনস্কি বলেছেন, 'ওই দুইটি অঞ্চলকে শুধুমাত্র রাশিয়াই স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে আমরা অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সমঝোতায় পৌঁছতে পারি।'

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, 'আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওই অঞ্চলে মানুষ কীভাবে বসবাস করবে। তারা ইউক্রেনের অংশ থাকতে চায়। ইউক্রেনের মানুষ তাদের ছেড়ে দিতে রাজি কিনা সেটাও দেখতে হবে। তাই প্রশ্নটা শুধু তাদের স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে নয়, বিষয়টি বেশ জটিল।'

জেলেনস্কি বলেছেন, 'আমরা হুমকি মেনে নিতে প্রস্তুত নই। যেটা দরকার, তা হলো, প্রেসিডেন্ট পুতিন আমাদের সঙ্গে কথা বলুন।

তার এই বক্তব্য থেকে খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে যে তার শিক্ষা হয়ে গিয়েছে।  অন্যদিকে পুতিন তার শর্তের এক বিন্দু মাত্র ছাড় দেবে বলেও মনে হচ্ছে না।  কারণ এই যুদ্ধের জন্য অর্থনৈতিক ভাবে রাশিয়ার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে এই কয়েক দিনে আর এই জন্য যুদ্দ থামাবার চিন্তা না করে তাদের অর্থনিতির ক্ষতি কমানোর জন্য প্রায় সব ঠিকেই বিকল্প খুঁজে নিচ্ছে। 

আর বলতে গেলে রাশিয়া পশ্চিমাদের সকল নিষেধাজ্ঞার জন্য একেবারে ভেঙে পড়বে এমন কিছুই ভাবার কারন নেই কারণ রাশিয়া সব কিছু যেনেই তার বিকল্প আগে থেকে রেখেই যুদ্ধে নেমেছে কারণ তারা জানে যুদ্দ শুরু হলে পশ্চিমারা কি কি করতে পারে। 

0 মন্তব্যসমূহ