বইতে দিলে শুইতে চায়, শুইতে দিলে ঘুমাইতে চায়

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে সুচিকিৎসার দাবির প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, অবস্থা এমন হয়েছে যে ‘বইতে দিলে শুইতে চায়, শুইতে দিলে ঘুমাইতে চায়’ এর মতো। দুটি শর্তে খালেদা জিয়াকে জেল থেকে ছাড়া হয়। অথচ এখন দাবি করা হচ্ছে, বিদেশেও যেতে দিতে হবে।  মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘আইন জিয়াউর রহমানের গতিতে চলবে না। আইন যেভাবে চলার, সেভাবেই চলবে।’  আজ শুক্রবার সকালে সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক পৌর মুক্তমঞ্চে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ওনার (খালেদা জিয়া) বিদেশে যাওয়ার জন্য ১৫ জন আইনজীবী আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। আমি যে আইনের কথা বলেছি, যে আইনে আবেদন নাকচ করেছি, তা সঠিক। এরপরও ওনার আইনজীবীরা যেটা বলেছেন, সেটার কোথাও কোনো নজির আছে কি না, তা দেখার জন্য আমি সময় নিয়েছি। সে সময় নেওয়ার বিষয়টি দেখে ওনারা বলেন, আন্দোলন করবেন। এক দফা, এক দাবি।’  বিজ্ঞাপন মন্ত্রী আরও বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে মানবিকতা আদায় করা যায় না। ওনাকে (খালেদা জিয়া) যে দুটি শর্তে ছাড়া হয়েছে তার একটি হলো, বিদেশ যেতে পারবেন না। আরেকটি হলো, নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন। এমন বলা হয়নি যে হাসপাতালে যেতে পারবেন না।  খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালত সাজা দিয়েছেন পাঁচ বছর। এরপর আপিল করা হয় হাইকোর্টে। হাইকোর্ট সেই সাজা বাড়িয়ে করেছেন ১০ বছর। এসব কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অন্যায় এতটাই গভীর যে তিনি (খালেদা জিয়া) এতিমের টাকা মেরে দিয়েছেন। সে জন্য পাঁচ বছরের জায়গায় হাইকোর্ট সাজা ১০ বছর করেছেন। এত কিছুর পরও মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী আদেশে দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে মুক্তি দিয়েছেন।  আখাউড়া পৌর আওয়ামী লীগ আয়োজিত কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল্লাহ ভূঁইয়া। উপস্থিত ছিলেন আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম সারওয়ার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা প্রমুখ।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে সুচিকিৎসার দাবির প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, অবস্থা এমন হয়েছে যে ‘বইতে দিলে শুইতে চায়, শুইতে দিলে ঘুমাইতে চায়’ এর মতো। দুটি শর্তে খালেদা জিয়াকে জেল থেকে ছাড়া হয়। অথচ এখন দাবি করা হচ্ছে, বিদেশেও যেতে দিতে হবে।মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘আইন জিয়াউর রহমানের গতিতে চলবে না। আইন যেভাবে চলার, সেভাবেই চলবে।’

আজ শুক্রবার সকালে সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক পৌর মুক্তমঞ্চে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ওনার (খালেদা জিয়া) বিদেশে যাওয়ার জন্য ১৫ জন আইনজীবী আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। আমি যে আইনের কথা বলেছি, যে আইনে আবেদন নাকচ করেছি, তা সঠিক। এরপরও ওনার আইনজীবীরা যেটা বলেছেন, সেটার কোথাও কোনো নজির আছে কি না, তা দেখার জন্য আমি সময় নিয়েছি। সে সময় নেওয়ার বিষয়টি দেখে ওনারা বলেন, আন্দোলন করবেন। এক দফা, এক দাবি।’

মন্ত্রী আরও বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে মানবিকতা আদায় করা যায় না। ওনাকে (খালেদা জিয়া) যে দুটি শর্তে ছাড়া হয়েছে তার একটি হলো, বিদেশ যেতে পারবেন না। আরেকটি হলো, নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন। এমন বলা হয়নি যে হাসপাতালে যেতে পারবেন না।

খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালত সাজা দিয়েছেন পাঁচ বছর। এরপর আপিল করা হয় হাইকোর্টে। হাইকোর্ট সেই সাজা বাড়িয়ে করেছেন ১০ বছর। এসব কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অন্যায় এতটাই গভীর যে তিনি (খালেদা জিয়া) এতিমের টাকা মেরে দিয়েছেন। সে জন্য পাঁচ বছরের জায়গায় হাইকোর্ট সাজা ১০ বছর করেছেন। এত কিছুর পরও মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী আদেশে দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে মুক্তি দিয়েছেন।

আখাউড়া পৌর আওয়ামী লীগ আয়োজিত কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল্লাহ ভূঁইয়া। উপস্থিত ছিলেন আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম সারওয়ার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা প্রমুখ।

Advertisement