কেন্দ্রীয় ও ঢাবি ছাত্রলীগের ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

কেন্দ্রীয় ও ঢাবি ছাত্রলীগের ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনী দাস তন্বীকে মারধরের ঘটনায় কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পাঁচ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আসামিরা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজীর হোসেন নিশি, ঢাবির শামসুন নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াসমিন শান্তা, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা শাহ জালাল, মো. এনামুল ও শেখ তানসেন।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল জাহিদ ভূঁইয়া বলেন, মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিল পিবিআই। সংস্থাটি তদন্ত করে পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্ত ইসলাম মল্লিক আবেদনটি মঞ্জুর করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

ভুক্তভোগী তন্বী অভিযোগ করেন, বেনজির হোসেন নিশি ও জেসমিন শান্তা ফোন দিয়ে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদে যেতে বলেন। সেখানে গেলে তাকে নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে আসামিরা তাকে মারতে উদ্যত হলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন।

এরপর তাকে ধাওয়া করে বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের সামনে ধরে বেধড়ক মারতে থাকেন। এ সময় আসামি নিশি ও শান্তার সঙ্গে দুজন ছেলে ছিল। তারা তাকে ঘিরে রাখেন। একপর্যায়ে তন্বী মাটিতে পড়ে গেলে শান্তা পায়ে জোরে চাপ দিয়ে ধরে রাখেন। নিশি এলোপাতাড়ি লাথি মারতে থাকেন। গলায় পা দিয়ে চাপ দেওয়ায় তন্বীর গলা দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

গত ২৪ জানুয়ারি মারধরের অভিযোগ এনে ফাল্গুনী দাস আদালতে পাঁচ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর আদালত মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

0 মন্তব্যসমূহ