দেশের ৩৫ শতাংশ তরুণ সবসময় অনলাইনে থাকেন

ইন্দোনেশিয়ার মুসি নদীর মাঝে সোনায় মোড়ানো রূপকথার দ্বীপের সন্ধান পেয়েছেন ভারতের মৎস্যজীবীরা।

করোনা মহামারির শুরু থেকে দেশের ৮৬ শতাংশ তরুণ দিনের সিংহভাগ সময় অনলাইনে কাটাচ্ছেন। এর মধ্যে ৩৫ শতাংশ তরুণ সবসময় অনলাইনে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ ছাড়া ১৫ শতাংশ সন্ধ্যায় ও দুই শতাংশ তরুণ কেবল স্কুল চলার সময়ে অনলাইন ব্যবহার করছেন।

করোনা মহামারিতে তরুণদের মধ্যে অনলাইন ব্যবহার ও সাইবার বুলিং কেমন প্রভাব ফেলছে, সে ব্যাপারে গ্রামীণফোন, টেলিনর গ্রুপ ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসব্যাপী এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড- এই চার দেশে জরিপটি করা হয়েছে। গ্রামীণফোনের কর্পোরেট কমিউনিকেশন্স ম্যানেজার তাজরিবা খুরশীদ এসব তথ্য জানান।

জরিপে তিন হাজার ৯৩০ জন অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে ১৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী ছিলেন বাংলাদেশি তরুণ। জরিপ থেকে জানা গেছে, এই তরুণদের ৮৫ শতাংশের মত হলো অনলাইন বুলিং একটি মারাত্মক সমস্যা। দেশে বর্তমানে ডিজিটালাইজেশনের যে ধারা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই বিষয়টির দিকে নজর রাখা এবং সচেতনতা তৈরির গুরুত্বও এখন অনেক বেড়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া দেশের ২৯ শতাংশ তরুণ জানিয়েছেন, কভিড প্রাদুর্ভাবের আগেই তারা বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন, যেখানে ১৮ শতাংশ জানিয়েছেন, বৈশ্বিক মহামারি শুরুর পর থেকে তারা আরও বেশি অনলাইন বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন।

বাংলাদেশের আট শতাংশ তরুণ সপ্তাহে অন্তত এক বা একাধিকবার অনলাইন বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপস এবং অনলাইন গেমিং ও ভিডিও গেম স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম- এ তিনটি মাধ্যমে সাধারণত তরুণরা সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

Advertisement