এবার ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে এনসিবি

এবার ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে এনসিবি

শাহরুখপুত্রের মাদক মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে এবার নিজেই তদন্তের মুখোমুখি। ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) পাঁচ সদস্যের একটি দল আগামীকাল বুধবার দিল্লি থেকে মুম্বাই যাবে। ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ কেলেঙ্কারির বিষয়ে খোঁজখবর নিতে এনসিবির মুম্বাই শাখা অফিসে যাবে দলটি।

অভিযোগ উঠেছে, শাহরুখের ছেলে আরিয়ান খানের মাদক মামলায় ১৮ কোটি রুপিতে এক ব্যক্তির সঙ্গে সমঝোতার আলাপ হয়েছিল। সেখান থেকে ৮ কোটি রুপি ওয়াংখেড়েকে দেওয়ার কথা ছিল। তিনি এই মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা। এছাড়া প্রমোদতরী থেকে আরিয়ানদের তিনিই গ্রেপ্তার করেছিলেন। 

এদিকে মহারাষ্ট্র রাজ্যের মন্ত্রী নওয়াব মালিক সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করে যাচ্ছেন। চাঁদাবাজি, ফোনে আড়িপাতা, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত সুবিধা পেতে নথিপত্র জালিয়াতির মতো অভিযোগ তুলেছেন তিনি। 

ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে ২৬টি অভিযোগ সংবলিত একটি চিঠি টুইট করেছেন মন্ত্রী নবাব মালিক। তিনি এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালের দিকে এনসিবি উপ মহাপরিচালক মুথা অশোক জৈন বলেছেন, এ ব্যাপারে তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। 

এদিকে গতকাল দিল্লিতে গিয়েছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে। তবে কেন্দ্র থেকে তাঁকে ডাকা হয়েছিল এমন কথা উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। 

আরিয়ান খানের মাদক মামলায় এনসিবির ‘স্বাধীন সাক্ষী’ কেপি গোসাভির দেহরক্ষী প্রভাকর সাইল গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, গত ৩ অক্টোবর গোসাভি এবং জনৈক স্যাম ডি’সুজার মধ্যে ফোনালাপ তিনি শুনেছেন। সেই আলাপে গোসাভি ২৫ কোটি রুপিতে সমঝোতার প্রস্তাব দেন। শেষ পর্যন্ত ১৮ কোটি রুপিতে রফা হয়। এর মধ্যে ৮ কোটি রুপি সমীরকে দেওয়ার কথা হয়। 

কেপি গোসাভি এখন নিখোঁজ। এনসিবি তাঁকে মাদক মামলার স্বাধীন সাক্ষী হিসেবে দাবি করেছিল। এখন প্রভাকরের বক্তব্যের বিষয়ে আদালতে একটি হলফনামা দিয়েছে এনসিবি। সেখানে সব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এনসিবি আদালতকে দেওয়া হলফনামায় বলছে, প্রভাকর সাইল ‘বৈরী সাক্ষী’ হিসেবে কাজ করছেন। 

এ বিষয়ে খোঁজখজর নিতেই আজ মুম্বাই যাচ্ছে এনসিবির দল। 

0 মন্তব্যসমূহ