সাতকানিয়ায় ছেলেকে হত্যার পর যুবকের আত্মহত্যা

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিজের ছেলেকে বিষ পান করিয়ে এক যুবক নিজেও বিষ পান করার ঘটনায় পিতা-পুত্র দুই জনেরই মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের এজাহার ডাক্তারের বাড়ি এলাকার একটি পুকুর পাড়ে বিষপান করে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরানো অবস্থায় একটি শিশু ও এক যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন চিকিৎসার জন্য সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন আর যুবকটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানে নেয়ার পর যুবকটিরও মৃত্যু হয়।  সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চঞ্চাল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহতরা হলেন, পাবর্ত্য জেলা বান্দরবান পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা এলাকার সিকদার পাড়ার আমিন শরীফের পুত্র নুরুল কবির (৩৮) ও নুরুল কবিরের ছেলে মোহাম্মদ ছানি (৯)। নিহতদের বাড়ি বান্দরবানের বালাঘাটা হলেও তারা এখানে কেন বিষ পান করলো সেই কারন এখনো অজানা সবার।  একটি সূত্র জানায়, নিহত নুরুল কবির প্রবাসে থাকার সুযোগে তার স্ত্রী নাছিমা আক্তার ( ২৫ )বালাঘাটা এলাকার ওসমান গনির ছেলে জমির উদ্দিনের (২৭) এর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এরি মধ্যে গত মাসের শুরুর দিকে নাছিমা আক্তার নিজ বাড়িতে পরকীয়া প্রেমিক জমির উদ্দিনসহ এলাকাবাসীর কাছে ধরা পড়ে। প্রবাসে থাকা নুরুল কবির এমন তথ্য জানতে পেরে দ্রæত দেশে এসে স্ত্রীর কাছে দীর্ঘ দিন প্রবাস থেকে পাঠানো অর্থ ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে স্বামীর সাথেও বিরোধে জড়িয়ে পড়ে নাছিমা আক্তার।  এই বিরোধের সূত্র ধরে গত নুরুল কবির স্ত্রী নাছিমা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক জমির উদ্দিনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই থেকেই ছেলে ছানিকে নিয়ে আলাদা থাকেন নুরুল কবির। গতকাল বিকালে বিষপান করা অবস্থায় মৃত্যু যন্ত্রনায় কারাতে থাকা নুরুল কবির ও তার ছেলে কখন কিভাবে বিষ পান করে ঘটনাস্থলে আসলো এটিই এখন স্থানীয় মানুষের কাছে বড় রহস্যের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। এবিষয়ে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, নুরুল কবিরের আসল বাড়ি চন্দনাইশ উপজেলার বরমা ইউনিয়নের পশ্চিম বাইনজুড়ি গ্রামে। বসবাস করতো বান্দরবানের বালাঘাটায়। বেশ কয়েক দিন আগে ফার্ণিচারের কাজ করার জন্য দস্তিদার হাটে আসে। বিষপান অবস্থায় বাবা-ছেলেকে দেখে লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তাদের সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক ছেলে ছানিকে মৃত ঘোষনা করেন ও উন্নত চিকিৎসার জন্য নুরুল কবিরকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানেই নুরুল কবিরের মৃত্যু হয়। লাশের ময়না করা হচ্ছে। ময়না তদন্তে বিষপানে মৃত্যু ? নাকি অন্য কিছু এ বিষয়টি জানা যাবে। সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকু বলেন, বিষ পানে আত্মহত্যা করা নুরুল কবিরের স্ত্রীর অনৈতিক সর্ম্পকের বিষয়টি জানার পর তিনি (নুরুল কবির) স্ত্রীকে ফেরানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বার বার ব্যর্থ হওয়ায় সবিশেষ ছেলেকে বিষপান করিয়ে নুরুল কবির নিজেও বিষপান করেছে বলে আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছি। তবে আরো একাধিক বিষয় সামনে রেখে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিজের ছেলেকে বিষ পান করিয়ে এক যুবক নিজেও বিষ পান করার ঘটনায় পিতা-পুত্র দুই জনেরই মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের এজাহার ডাক্তারের বাড়ি এলাকার একটি পুকুর পাড়ে বিষপান করে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরানো অবস্থায় একটি শিশু ও এক যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন চিকিৎসার জন্য সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন আর যুবকটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানে নেয়ার পর যুবকটিরও মৃত্যু হয়।

সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চঞ্চাল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহতরা হলেন, পাবর্ত্য জেলা বান্দরবান পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা এলাকার সিকদার পাড়ার আমিন শরীফের পুত্র নুরুল কবির (৩৮) ও নুরুল কবিরের ছেলে মোহাম্মদ ছানি (৯)। নিহতদের বাড়ি বান্দরবানের বালাঘাটা হলেও তারা এখানে কেন বিষ পান করলো সেই কারন এখনো অজানা সবার।

একটি সূত্র জানায়, নিহত নুরুল কবির প্রবাসে থাকার সুযোগে তার স্ত্রী নাছিমা আক্তার ( ২৫ )বালাঘাটা এলাকার ওসমান গনির ছেলে জমির উদ্দিনের (২৭) এর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এরি মধ্যে গত মাসের শুরুর দিকে নাছিমা আক্তার নিজ বাড়িতে পরকীয়া প্রেমিক জমির উদ্দিনসহ এলাকাবাসীর কাছে ধরা পড়ে। প্রবাসে থাকা নুরুল কবির এমন তথ্য জানতে পেরে দ্রæত দেশে এসে স্ত্রীর কাছে দীর্ঘ দিন প্রবাস থেকে পাঠানো অর্থ ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে স্বামীর সাথেও বিরোধে জড়িয়ে পড়ে নাছিমা আক্তার।

এই বিরোধের সূত্র ধরে গত নুরুল কবির স্ত্রী নাছিমা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক জমির উদ্দিনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই থেকেই ছেলে ছানিকে নিয়ে আলাদা থাকেন নুরুল কবির। গতকাল বিকালে বিষপান করা অবস্থায় মৃত্যু যন্ত্রনায় কারাতে থাকা নুরুল কবির ও তার ছেলে কখন কিভাবে বিষ পান করে ঘটনাস্থলে আসলো এটিই এখন স্থানীয় মানুষের কাছে বড় রহস্যের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। এবিষয়ে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, নুরুল কবিরের আসল বাড়ি চন্দনাইশ উপজেলার বরমা ইউনিয়নের পশ্চিম বাইনজুড়ি গ্রামে। বসবাস করতো বান্দরবানের বালাঘাটায়। বেশ কয়েক দিন আগে ফার্ণিচারের কাজ করার জন্য দস্তিদার হাটে আসে। বিষপান অবস্থায় বাবা-ছেলেকে দেখে লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তাদের সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক ছেলে ছানিকে মৃত ঘোষনা করেন ও উন্নত চিকিৎসার জন্য নুরুল কবিরকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানেই নুরুল কবিরের মৃত্যু হয়। লাশের ময়না করা হচ্ছে। ময়না তদন্তে বিষপানে মৃত্যু ? নাকি অন্য কিছু এ বিষয়টি জানা যাবে। সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকু বলেন, বিষ পানে আত্মহত্যা করা নুরুল কবিরের স্ত্রীর অনৈতিক সর্ম্পকের বিষয়টি জানার পর তিনি (নুরুল কবির) স্ত্রীকে ফেরানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বার বার ব্যর্থ হওয়ায় সবিশেষ ছেলেকে বিষপান করিয়ে নুরুল কবির নিজেও বিষপান করেছে বলে আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছি। তবে আরো একাধিক বিষয় সামনে রেখে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

Advertisement