ক্ষতিকর গেম নয় শুক্রবার থেকে বন্ধ হচ্ছে সাধারণ মানুষের ফোন

ক্ষতিকর গেম নয় শুক্রবার থেকে বন্ধ হচ্ছে সাধারণ মানুষের ফোন


যেখানে BTRC অনলাইন গেম গুলো বন্ধ করতে পারেনি সেখানে BTRC শুক্রবার থেকে বাংলাদেশের বেশিরবাগ সাধারণ মানুষের কমদামি ফোন কে অবৈধ বলে বন্ধের কথা বলছে। 

কথায় আছে জোর যার মুল্লুক তার এটাই হচ্ছে তার প্রমান , অনলাইন গেম দেশের আগামী প্রজন্মকে যেমন হুমকিতে পেলছে তেমনি লুটে নিয়ে যাচ্ছে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা আর আমরা পড়ে আছি মানুষের টাকার কেনা ফোনের উপরে , যেখানে কথাছিলো অবৈধ ফোন বিক্রেতাদের শায়েস্তা করা তা না করে ক্রেতাদের উপর জুলম করা হচ্ছে যারা নাকি কম নাহয় বেশি কিন্তু নিজেদের কষ্টের টাকা দিয়ে ফোন ক্রয় করে ব্যবহার করছেন। 

BTRC কতটা যোগ্য তা হাই কোর্টের আদেশ না রাখতে পারা থেকেই বুঝা যাচ্ছে , কারণ হাই কোর্ট যত এপপ্স বন্ধের আদেশ দিয়েছিলো তার একটাও বাংলাদেশে বন্ধ নেই। 

কিন্তু BTRC বলছে সব ধরনের অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধের সিদ্ধান্ত শুক্রবার (১ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হচ্ছে। ৩০ জুনের পর রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা বা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) নিবন্ধন না করা সেটগুলো এই বন্ধের আওতায় আসবে। তবে এর আগে ব্যবহারকারীকে একটি ক্ষুদে বার্তা দেয়া হবে।

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র জানান, পর্যায়ক্রমে এ কাজটি করা হবে। প্রথমে গ্রাহকের মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বলা হবে যে তার সেটটি অবৈধ। এর কিছুক্ষণের মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তিনি জানান, এ জন্য ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেমের ৩ মাসের পরীক্ষামূলক কাজটি শেষ হয়েছে সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখে। তাই ১ অক্টোবর থেকে অনিবন্ধিত বা অবৈধ ফোনগুলো বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করবে তারা।

চোরাই পথে দেশে আসা মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করতে গত ১ জুলাই এনইআইআর সিস্টেমটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়। প্রত্যেক হ্যান্ডসেটের আইইএমআই নম্বরের সঙ্গে সিমের তথ্য ডাটাবেজে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এতে কোন গ্রাহক কোন সেট ব্যবহার করছেন সে তথ্যও এনইআইআর সিস্টেমে চলে আসে। গত ৩০ জুন পর্যন্ত চালু থাকা সব নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে অর্ন্তভুক্ত করা হয়। এরপর ৩ মাস সময় দেয়া হয় নিবন্ধনের। সে শুক্রবার থেকে সেট বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

বিটিআরসি জানায়, মূলত দেশে অবৈধ বা নন-চ্যানেল মোবাইল ফোনের প্রবেশ বন্ধ করতে সরকার এ ব্যবস্থা চালু করে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য অপরাধী শনাক্ত সহজ হবে। এ সিস্টেম চালু হলে চুরি বা ছিনতাই হওয়া ফোনে অন্য সিম দিয়ে নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি এই সিস্টেম দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ১ অক্টোবর থেকে কোনো গ্রাহক ফোন চালু করতে গেলে একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন। ফোনটি বৈধ হলে কয়েকটি ধাপ অগ্রসর হলেই সেটি চালু হয়ে যাবে। যদি ফোনটি অবৈধ হয় তাহলে নেটওয়ার্কে চালু করার সময় বার্তা আসবে ও ফোনটি বন্ধ হয়ে যাবে। এই বার্তা ফোন বিক্রেতাকে দেখিয়ে ক্রেতা তার সেটটি বদলে নিতে পারবেন বা টাকা ফেরত নিতে পারবেন। তিনি জানান, কোনো সেট বৈধ কি না তা জানতে ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে বড় হাতের ‘কেওয়াইডি’ টাইপ করে স্পেস দিয়ে মোবাইলের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে সেটি ১৬০০২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে আইএমইআই নম্বরটি বিটিআরসির ডাটাবেজে সংরক্ষিত আছে কিনা তা জানা যাবে।

Advertisement